Posted in কিভাবে কিভাবে যেন লিখে ফেললাম, ভালো লাগা, ভালোবাসা

ভালোবাসা দিবসের অনুকাব্য


প্রতিটা ফাল্গুনের দ্বিতীয় দিনে আমি বেশ মজা নিয়ে দুটো একটা অনুকাব্য লিখি। মাঝে মাঝে সেটার প্রকাশও করি। কিন্তু এবারে এই ফাল্গুন আমার কাছে ধরা দিলো নোংরামোর মাত্রাতিরিক্ত বিজ্ঞাপন নিয়ে। দেশের প্রায় প্রতিটা জনপ্রিয় জাতীয় দৈনিক পত্রিকার কমপক্ষে দুটো পৃষ্টায়, এক-চতুর্থাংশই জুড়ে ছিলো নানান রকমের “নিরাপত্তা টুপি” বিক্রেতার বাহারি বিজ্ঞাপন।

ভালোবাসা’য় ভালো”বাঁশ” দেখতে পেয়ে মনটা যেভাবে বিক্ষিপ্ত হয়েছে তাতে করে এর চাইতে ভালো লেখা আর হয়ে উঠলো না কোনমতেই। আমি আন্তরিকভাবেই দুঃখিত পাঠকবৃন্দ, ক্ষমা করবেন!! 😦

পত্রিকার পাতায়, খোমাখাতায়
যত্রতত্র আজ “টুপি” সংক্রান্ত বিজ্ঞাপন
ভালোবাসা দিবসে
এ কি! আলাপন! মন উচাটন, টনটন টনটন!!

ভালোবাসার নামে হতে কোরবানী
প্রচারের আলোয় যত্ত ভন্ডামি
নিরাপদে রাখতে ভালো”বাঁশ”
“ভালোবাসা”য় হাঁসফাঁস।।

দুপ্লেট ফুচকাতে আর গলে নাকো মন
মনের চাহিদা আজ দেহবল্লরীর গুঞ্জন
আরো চাই, বেশী চাই
ছাইপাশ যাই পাই
ব্যাডলাকে ফেঁসে গেলে
— “ওটা আমি চাই নাই” 😦

ইতস্তত ইতরামো,
সীমিত ছিলো স্বপ্নে।
দিবালোকে সর্বত্র আজ
নিরাপদ পূরনে।
সোৎসাহে হরদম, ন্যাকামোর হরিবোল
ঝরা লালা মুখে টেনে, মনেতে শোরগোল।

অযাচিত প্রচারের
ভালোবাসা “ভালোবাঁশ”।
নিয়ো নাকো সখা মোর
অকালেই “সর্বনাশ”।

বাঁশ ঝাড় যারই থাক
তুই কেন নিবি বল?
হারিয়ে কুল মান
অকারন গরলপান!

জাতি হিসেবে উচ্চশির
যতটাই উঠছি
নৈতিকতা ঝেড়ে ফেলে
সবটুকুই হারাচ্ছি।

Posted in কিভাবে কিভাবে যেন লিখে ফেললাম, ভালো লাগা, ভালোবাসা

ভালোবাসা দিবসের অনুকাব্য


অনুকথন: বিগত প্রায় চার বছর ধরেই এই ২রা ফাল্গুনে (১৪ই ফেব্রুয়ারী) একটা করে অনুকাব্য ঝাড়ছি নিজের এই আন্তর্জালিক খেরোখাতাতে। সম্ভবত সে কারনেই আজ এই সাতসকালে, বিছানা ছাড়বার কালে, দুমদাম মগজের দরজাগুলোতে ছন্দের ঝাপটা আর তৎক্ষনাৎ সেটাকে এখানে ঝেড়ে দেয়া।

কচি-কাঁচা, পুলাপান
অকারণে দিনমান
ঘুরে ঘুরে পেরেশান
ফুল আর ফুচকায় হয়রান।

ভালোবাসার প্রকাশে
রিকশা আর পার্কেতে
হাতে হাত রেখে ঘোরাঘুরি
চোখে চোখে কথার ফুলঝুরি।

নিত্য নতুন উপহার
সময়ের দাবীদার
কে কার? কবেকার?
স্বার্থের হাহাকার।

দিন শেষে অবশেষে
রাত্রি নেমে আসে,
কথার কুড়মুড়ি, আলগা সুড়সুড়ি,
সব কিছু দমে আসে।
ভালোবাসা দিবসে।

Posted in কিভাবে কিভাবে যেন লিখে ফেললাম, ভালো লাগা, ভালোবাসা

ভালোবাসা দিবসের অনুকাব্য


অনুকথন: মুক্তপ্রযুক্তির প্রসারে দেশের আনাচে-কানাচে ছোটাছুটি করা, ব্যক্তিজীবনের ব্যস্ততা, শারীরিক বিভিন্ন সমস্যার মধ্য দিয়ে জীবনটাকে টেনে নেয়া এসব মিলিয়ে ২০১৩ইং সালে এই লেখাটার পর আর কিছুই লেখা হয়নি আমার ব্লগটায়। আজকের এই বিশেষ দিবসকে উদ্দেশ্য করে মননের ছন্দপ্রেমিক পোকাটা নিউরনে আবারো কুটকুট করে কামড়াতে শুরু করে আর পুটপুট পুটপুট করে কী-বোর্ডের বোতামগুলোর উপর আঙ্গুল চালিয়ে দিয়ে নিচের লেখাটুকু ঝেড়ে দিলাম। 🙂

মনের টানেতে
কারনে কিবা অকারনে
কাছে টানি তোমায়।
ভুল বুঝে, রাগেতে
ইচ্ছেয় কিবা অনিচ্ছায়
দূরে রাখা বড় দায়।

চোখের পলকে, ঠোঁটের দোলকে
কত না কথার ফুলঝুড়ি
হালকা ছোঁয়াতে, শিহরিত মনেতে
আনন্দের ছড়াছড়ি।

ভালোবাসা দিবসেই শুধু
ভালোবাসি বলি কেন
সারাবেলা সারাক্ষন
অধরারেই ধরি, যেনো।

Posted in কিভাবে কিভাবে যেন লিখে ফেললাম, ভালো লাগা, ভালোবাসা

ভালোবাসা দিবসের অনুকাব্য


অনুকথন: মস্তিষ্ক, চোখ, কান সহ শারীরিক বিভিন্ন সমস্যায় বিরাট যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি বিগত দু’মাস যাবৎ। সেই কারনে এটা আমার ২০১৩ইং সালের প্রথম ব্লগ প্রকাশনা। বিগত বছরে (২০১২ইং) এই লেখাটা লিখেছিলাম আজকের এই বিশেষ দিবসকে উদ্দেশ্য করে। দিন দু’য়েক আগে হাসপাতাল থেকে বাসায় ফেরার পথে, ট্রেনে বসে, মননের ছন্দপ্রেমিক পোকাটা নিউরনে আবারো কুটকুট করে কামড়াতে শুরু করে দিলো আর হাতে ধরে থাকা ট্রেনের টিকিটের উপরেই নিচের লেখাটুকু ঝেড়ে দিলাম। 🙂

ভালোবাসা ভালোবাসা
অজানা অচেনা আশা
পেতে চেয়ে আরাধনা,
সময়ের আনাগোনা।

ভালোবাসা ভালোবাসা
চামে-চিকনে কাছে আসা,
বিভ্রান্তিতে?
সর্বানাশা!

ভালোবাসা ভালোবাসা
যুক্তিতে বিরহ… দূরাশা,
আবেগে ঠাসা,
চিকিমিকি স্বপ্নে ভাসা।

ভালোবাসা ভালোবাসা
পূর্ণতা, আনন্দ, আশা,
ভ্যালেন্টাইন দিবসে তোমাকেই,
একান্তে পাশে পাওয়া।

Posted in কিভাবে কিভাবে যেন লিখে ফেললাম, ভালো লাগা, ভালোবাসা

ভালোবাসা দিবসের অনুকাব্য


গত বছরে (২০১১ইং) এই লেখাটা লিখেছিলাম আজকের এই বিশেষ দিবসকে উদ্দেশ্য করে। আজকে ভোরে ঘুমুতে যাবার আগ দিয়ে মননের ছন্দপ্রেমিক পোকাটা নিউরনে আবারো কুটকুট করে অনুরনন ঘটাতে শুরু করলো। তাই নিচেরটুকু ঝেড়ে দিলাম। 🙂

পার্কের বেঞ্চিতে
চিপা-কোনা-কাঞ্চিতে,
বাদামের কুটকুট
সাথে রবে ছোলা-বুট,
দু’কলি গোলাপ আর
দু’ডাঁটি রজনীগন্ধা,
বোঝোই তো বাজারে
অর্থনৈতিক মন্দা।

চাইনিজ চেয়ো নাকো
হতে পারে হার্টফেল,
ফুচকা বা চটপটিতে
অরুচি নাই, তবুও বাজেট ফেল।

দিনটুকু কর্মেতে
সন্ধ্যের পর তোমাকে,
দিতে রাজী জানেমান
সময়ের পালকে।

এখনো যে বনের মোষ
তাড়ানোয় সুখ পাই,
রোজগার করি যা
তারচেয়ে বেশী ওড়াই।

তবুও যে ভালোবাসি
ভালাবাসি না মেপে,
বোঝো চাই না বোঝ
একমাত্রই তোমাকে।