Posted in কিভাবে কিভাবে যেন লিখে ফেললাম, ভালো লাগা, ভালোবাসা

স্বাগত ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

সময়ের পালে লেগেছে হাওয়া
হারিয়ে যাবার নেই মানা,
অচিন পথে, উল্টো রথে
পাখনা মেলুক, মনের ডানা।
আজকের রোদ আগুন ঝরায়ে
পুড়িয়ে সব জঞ্জাল,
শুদ্ধ-শুচি করবে পৃথিবী
দূর করে সব মায়াজাল।
নতুন দিনের নতুন আলোয়
জাগছে দেখো নতুনেরা,
পুরানো আর জীর্ণ-শীর্ণ
সরিয়ে ফেলুক ঝড়েরা।
নতুনে আবাহনে জাগুক
আজি নবীণদল,
নব উন্মাদনা, নব প্রেরণায়
মাতুক দেশ, বিশ্বাচল।
Advertisements
Posted in কিভাবে কিভাবে যেন লিখে ফেললাম, ভালো লাগা, ভালোবাসা

ভালোবাসা দিবসের অনুকাব্য


প্রতিটা ফাল্গুনের দ্বিতীয় দিনে আমি বেশ মজা নিয়ে দুটো একটা অনুকাব্য লিখি। মাঝে মাঝে সেটার প্রকাশও করি। কিন্তু এবারের এই ফাগুনে আমার মনেও বেশ উচ্চমাত্রার আগুন ধরেছে। মনের রং তাই ঢালতে চেষ্টা করেছি এবারের লেখনীতেও। 🙂

ভালোবাসার টুকটুকি
ভালোবেসে টোকাটুকি
ভালোবাসায় টুকিটাকি

ভালোবেসে দুটি প্রাণ
ভালোবাসায় টনটন
ভালোবাসার টিংটং

ভালোবাসায় কাছাকাছি
ভালোবেসে নাচানাচি
ভালোবাসার মৌমাছি

ভালোবাসি তাই
ভালোবেসে যাই
ভালোবাসার কালে
দিন-ক্ষণ নাই। 🙂

Posted in কিভাবে কিভাবে যেন লিখে ফেললাম, ভালো লাগা, ভালোবাসা

ভালোবাসা দিবসের অনুকাব্য


প্রতিটা ফাল্গুনের দ্বিতীয় দিনে আমি বেশ মজা নিয়ে দুটো একটা অনুকাব্য লিখি। মাঝে মাঝে সেটার প্রকাশও করি। কিন্তু এবারে এই ফাল্গুন আমার কাছে ধরা দিলো নোংরামোর মাত্রাতিরিক্ত বিজ্ঞাপন নিয়ে। দেশের প্রায় প্রতিটা জনপ্রিয় জাতীয় দৈনিক পত্রিকার কমপক্ষে দুটো পৃষ্টায়, এক-চতুর্থাংশই জুড়ে ছিলো নানান রকমের “নিরাপত্তা টুপি” বিক্রেতার বাহারি বিজ্ঞাপন।

ভালোবাসা’য় ভালো”বাঁশ” দেখতে পেয়ে মনটা যেভাবে বিক্ষিপ্ত হয়েছে তাতে করে এর চাইতে ভালো লেখা আর হয়ে উঠলো না কোনমতেই। আমি আন্তরিকভাবেই দুঃখিত পাঠকবৃন্দ, ক্ষমা করবেন!! 😦

পত্রিকার পাতায়, খোমাখাতায়
যত্রতত্র আজ “টুপি” সংক্রান্ত বিজ্ঞাপন
ভালোবাসা দিবসে
এ কি! আলাপন! মন উচাটন, টনটন টনটন!!

ভালোবাসার নামে হতে কোরবানী
প্রচারের আলোয় যত্ত ভন্ডামি
নিরাপদে রাখতে ভালো”বাঁশ”
“ভালোবাসা”য় হাঁসফাঁস।।

দুপ্লেট ফুচকাতে আর গলে নাকো মন
মনের চাহিদা আজ দেহবল্লরীর গুঞ্জন
আরো চাই, বেশী চাই
ছাইপাশ যাই পাই
ব্যাডলাকে ফেঁসে গেলে
— “ওটা আমি চাই নাই” 😦

ইতস্তত ইতরামো,
সীমিত ছিলো স্বপ্নে।
দিবালোকে সর্বত্র আজ
নিরাপদ পূরনে।
সোৎসাহে হরদম, ন্যাকামোর হরিবোল
ঝরা লালা মুখে টেনে, মনেতে শোরগোল।

অযাচিত প্রচারের
ভালোবাসা “ভালোবাঁশ”।
নিয়ো নাকো সখা মোর
অকালেই “সর্বনাশ”।

বাঁশ ঝাড় যারই থাক
তুই কেন নিবি বল?
হারিয়ে কুল মান
অকারন গরলপান!

জাতি হিসেবে উচ্চশির
যতটাই উঠছি
নৈতিকতা ঝেড়ে ফেলে
সবটুকুই হারাচ্ছি।

Posted in কিভাবে কিভাবে যেন লিখে ফেললাম, ভালো লাগা, ভালোবাসা

ভালোবাসা দিবসের অনুকাব্য


অনুকথন: বিগত প্রায় চার বছর ধরেই এই ২রা ফাল্গুনে (১৪ই ফেব্রুয়ারী) একটা করে অনুকাব্য ঝাড়ছি নিজের এই আন্তর্জালিক খেরোখাতাতে। সম্ভবত সে কারনেই আজ এই সাতসকালে, বিছানা ছাড়বার কালে, দুমদাম মগজের দরজাগুলোতে ছন্দের ঝাপটা আর তৎক্ষনাৎ সেটাকে এখানে ঝেড়ে দেয়া।

কচি-কাঁচা, পুলাপান
অকারণে দিনমান
ঘুরে ঘুরে পেরেশান
ফুল আর ফুচকায় হয়রান।

ভালোবাসার প্রকাশে
রিকশা আর পার্কেতে
হাতে হাত রেখে ঘোরাঘুরি
চোখে চোখে কথার ফুলঝুরি।

নিত্য নতুন উপহার
সময়ের দাবীদার
কে কার? কবেকার?
স্বার্থের হাহাকার।

দিন শেষে অবশেষে
রাত্রি নেমে আসে,
কথার কুড়মুড়ি, আলগা সুড়সুড়ি,
সব কিছু দমে আসে।
ভালোবাসা দিবসে।

Posted in কিভাবে কিভাবে যেন লিখে ফেললাম, নির্বাক যন্ত্রনা, ভালো লাগা, ভালোবাসা

সাধের ময়না


বছরের শুরুতেই দেশের রাজনীতিতে আকাট অস্থিরতা। দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় চরম বিভ্রাট। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের উপরে পরীক্ষার খড়গের সাথে সাথে জীবন নাশ এবং নানান অনিশ্চয়তার মরণকামড়। সুযোগে ফায়দা লোটা রক্তচোষাদের কামড়ে কৃষিনির্ভর অর্থনীতির শ্রমকান্ডারি চাষীদের হাহাকার-কান্না-মরণদশা। মাঠে ফসলের দাম কম অথচ বাজারে শীতের সবজি আর মাছে অগ্নিমূল্য। সরকারী চাকুরেদের বেতন বাড়ার সুসংবাদের সাথে সাথেই জ্বালানী-বিদ্যুৎ এর দাম বৃদ্ধি। অর্থমন্ত্রী কর্তৃকই চকলেট কিংবা চুইংগামের সর্বনিম্ন খুচরা মূল্য পাঁচ টাকা নির্ধারন, অর্থাৎ সরকারী সমর্থনে জনগনের অর্থের হরিলুট বা পকেটকাটা চালু। দেশের একজন অতি সাধারণ নাগরিক হিসেবে কিছুতেই অনেকগুলো হিসেব মিলছে না, মিলিয়ে নিতে পারিনি-পারছিনা। বাধ্য হয়েই আঙ্গুলগুলো একটানা কিছুক্ষণ চালিয়ে দিলাম কি-বোর্ডের উপর দিয়ে। আর যা উৎপন্ন হলো —

মনের ময়না
ধরা, দেয়না
যত আশা মনে মনে
কথা হবে তারই সনে
আমি তাঁরে, প্রেম ডোরে
বাঁধবো রে, চিরতরে।

চোখে চোখে রাখবো তাঁরে
দূরে আর যাবে নারে
দিনে-রাতে, একসাথে
হরেক রকম বায়না
আহ রে! সাধের ময়না।

Posted in কিভাবে কিভাবে যেন লিখে ফেললাম, নির্বাক যন্ত্রনা, ভালো লাগা, ভালোবাসা

বেলা বয়ে যায়


অনেকগুলো দিন হয়ে গিয়েছিলো ব্লগটাতে কোন নতুন লেখা হচ্ছে না। কাজের চাপে সময়ই তো বের করে উঠতে পারছি না গত মাস ছ’য়েক, লিখবো কি করে। মনটাও বেশ ছন্নছাড়া হয়ে রয়েছিলো। হুট করেই এখন এই সময়ে এসে কী-বোর্ডে আঙ্গুল বসাতেই নীচের কথাগুলো মনের মাঝে ঝড় তুলে দিলো। ব্যস! লিখলাম আর সোজা এখানে ঝেড়ে দিলাম। 😉

শ্রাবণ মেঘের দিন
স্বপ্নরা রঙ্গীন,
খোলা নীল আকাশ
মুক্ত বাতাস,
পাখিদের ডাক
ঢিলে ভাঙ্গা মৌচাক,
তালগাছের ডগায়
বাবুইয়ের বাসা,
পিঁপড়ের ডিমের টোপে
ছিপে মাছের আশা।

বয়ে যাওয়া সময়
ফিরে পাওয়া যাবে না,
ফেরারী মনে একাকী রবে
বারে বারে আর আসা হবে না।

Posted in কিভাবে কিভাবে যেন লিখে ফেললাম, নির্বাক যন্ত্রনা, ভালো লাগা, ভালোবাসা

পাঁচমিশেলী রং


মাঝে মাঝেই আমার অদ্ভুত সব খেয়াল চেপে বসে। মাথার ভেতরে হুটহাট কি যেনো ঘটে যায়। খুব করে ইচ্ছে করে ছন্দ নিয়ে, শব্দ নিয়ে, কথা নিয়ে খেলতে। আজকেও তেমনটাই ঘটেছে। প্রকাশ আপনাদের সামনেই করলাম। দেখুন কি মানের জগাখিচুড়ী হলো। 😀

লাল-নীল কষ্টগুলো সব
ধূলোয় মেশাও একসাথে
এক ফুঁকেতে উড়িয়ে দাও আজ
মিলিয়ে যাক সব জীবন থেকে।

সৃষ্টি আর কৃষ্টি মাঝে
ডুবাও তুমি জীবনটারে
সৃষ্টি মাঝে হারিয়ে গিয়ে
ফের খুঁজে নাও আপনারে।

হেলায় কেন হারাবে তোমার
জীবনের সব রংগুলো
সৃষ্টি দিয়ে দুঃখ ঢাকো
মনটাকে করো সৃষ্টিভুলো।

বোকা থাকো আর
থাকো শিশু
জানাবার খিদেয় জীবন কাটাও
বাড়তে দিয়ো না, জ্ঞান-পশু।