Posted in জেনে রাখুন

“উবুন্টু বাংলাদেশ”র সাথে থাকুন, জালিয়াত Ubuntu Bangladesh Ltd. থেকে সাবধান হোন


৩০ শে জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ১৭:৪৫

আজকে দুপুরে উবুন্টু বাংলাদেশ মেইলিং লিস্টে একটি গুরুতর বিষয় সবার গোচরে আনা হয়েছে। তা হচ্ছে চিটাগং-এ Ubuntu Bangladesh Ltd. নামক একটি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম কেবল সন্দেহজনকই নয় বরং বেআইনীও বটে। উবুন্টুর অফিসিয়াল স্পন্সর ক্যনোনিকাল লি:, এবং বাংলাদেশে তাদের অনুমোদিত একমাত্র লোকো টিম হচ্ছে Ubuntu Bangladesh। এই টিম ছাড়া আর কোন টিম অফিসিয়ালি বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রম চালাচ্ছে না।

“Ubuntu” ক্যানোনিক্যাল লিমিটেড-এর রেজিস্টার্ড ট্রেডমার্ক এবং লিখিত অনুমতি ছাড়া কোন ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান অথবা অন্য কোন গ্রুপ তাদের সেবার মাঝে Ubuntu শব্দ ব্যবহার করতে পারেন না। এছাড়া যতদূর ধারণা আছে Bangladesh Company Act 1994 অনুযায়ী Ltd. কেবল রেজিস্টার্ড সীমিতদায় প্রতিষ্ঠানে ব্যবহার করা যায়, অননুমোদিত ব্যবহার দন্ডনীয় অপরাধ।

একই সাথে উক্ত “Ubuntu Bangladesh Ltd.”-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে তারা বিভিন্ন এলাকার মানুষ ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে অর্থ আত্মসাৎ করেছে এবং করছে “Ubuntu Rural ICT Center” প্রতিষ্ঠার নাম করে।

তাদের এই কার্যক্রম ক্যানোনিক্যালের লিগ্যাল টিমের গোচরে আনা হয়েছে, একই সাথে ফেসবুকে অবস্থিত তাদের ফেইসবুক প্রোমোশন্যাল পেজের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

এদের কার্যক্রম সম্পর্কে সকলকে সতর্ক থাকার জন্য বলা হলো একই সাথে সকলকে অনুরোধ করছি তাদের এই বেআইনী কার্যক্রম সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করুন, প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সহযোগীতা করুন।

একই সাথে এখানে উল্লেখ করা হচ্ছে যে, কেউ যদি উবুন্টুর জন্য কাজ করতে চান তবে তাদেরকে আমরা স্বাগত জানাই। কিন্তু অনুগ্রহ করে কোন উদ্যোগ নেয়ার আগে উবুন্টু বাংলাদেশ টিমের গোচরে আনবেন এবং তাদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা নিয়ে নেবেন। অতিউৎসাহী হয়ে বে-আইনী কোনকিছুর সাথে জড়িয়ে পড়বেন না। নকলের হাত থেকে সাবধান।
the con is on

Advertisements
Posted in প্রযুক্তি নিয়ে আউলা চিন্তা

হালের ফ্যাশান আর ভবিষ্যৎ বালা-মুসিবত


বুধবার, জুলাই 28 2010 সময় 13:13:13

মেয়েঃ হাই বাপ্স, হাউ আর ইউ?
বাবাঃ মারে ভালোই তো ছিলাম এতক্ষন কিন্তু তোর কথা শুনে তো মা দ্বন্দ্বে পড়ে গেলাম
মেয়েঃ হোয়াই বাপ্স?
বাবাঃ মারে আমি তো তোর একটাই ‘বাপ’ কিন্তু তুই যেভাবে ‘s’ যোগ করে ‘বাপ্স’ বলছিস তাতে তো মা আমি নিজেই সন্দিহান।
মেয়েঃ ওহ বাপ্স! তুমি কিছুই বোঝ না। এটা স্টাইল, নাও এডেজ ইটস অ্যা ফ্যাশন বাপ্স
বাবাঃ তাই নাকি! একটা বাবার জায়গায় তাহলে এখন ‘বহুবাবা(বাপ্স)’ই চলছে! বেশ বেশ
মেয়েঃ বাপ্স তুমি আমায় কোন সাইট থেকে ডাউনলোড করেছিলে? ওদের কি “সিকিউরিটি সার্টিফিকেট” ছিলো না? আর থাকলোই বা ডাউনলোড করার আগে ভালো একটা অ্যান্টিভাইরাস দিয়ে যদি একবার ও স্ক্যান করে নিতে? তাহলে তো আমাকে আর এত ঘন ঘন জ্বর-কাশি ইনফেক্ট করতে পারতো না।
বাবাঃ বলিস কিরে মা! তোকে তোর মা জন্ম দিয়েছে, আমি তোকে ডাউনলোড করবো কেনো?
মেয়েঃ ওহ বাপ্স তোমরা আজো সেকেলে রয়ে গেছো। এখন কি আর সে সময় আছে? কেনো যে ভ্যালুলেস পেইনগুলো নিতে তোমরা?
বাবাঃ তা মা, তোর শরীর এখন কেমন আছে? সকালে কিছু খেয়েছিস?
মেয়েঃ হাউ ফানি বাপ্স! তুমি আমার টুইটার আর ফেসবুক স্ট্যাটাস চেক করোনি? আর তোমাকে তো একটা পার্সোনাল মেইল ও করেছিলাম। রিড দ্যাট কেয়ারফুলি।
বাবাঃ কি যামানায় যে এসে পড়লাম। সরাসরি কথা না বলে মেয়ে খবর জানতে এখন দরকার ফেসবুক আর টুইটারে স্ট্যাটাস চেক করা, ইমেইল পড়া। হায় রে যামানা।
মেয়েঃ শিট বাপ্স! হোয়াটস সো টাচি। ইউ আর সো ইম্যশোনাল। ইটস নট সাচ এ বিগ থিং। তোমার প্রসেসর সেকেলে, তোমার মাদারবোর্ডের বাস স্লো, তোমার হার্ডডিস্কে ব্যাডসেক্টর, তোমার মেমরি ফ্রিকোয়েন্ট লোড নিতে অক্ষম। চেঞ্জ অল দিজ ওলড মডেল হার্ডওয়্যারস। বি উইথ ট্রেন্ডস অ্যান্ড ফ্যাশন বাপ্স। বাই বাপ্স, আই উইলবি অনলাইন 24/7 ইন মেসেঞ্জার, সো চেক মি অন।

——— তিন বছর পর একই দিনে, একই সময়ে ———-

রবিবার, জুলাই 28 2013 সময় 13:13:13

মেয়েঃ বাপ্স, আই অ্যাম রুইন্ড, আই অ্যাম রুইন্ড, মাই সিস্টেম ক্র্যাশড বাপ্স, আই অ্যাম ডেড বাপ্স, আই অ্যাম ফিনিশড, আই অ্যাম ডেড?
বাবাঃ মারে তোর ফেসবুক আর টুইটার স্ট্যাটাস তো দুই মিনিট আগেই ‘সো হ্যাপি’ ছিলো। হটাৎ আবার কি হলো?
মেয়েঃ ড্যাম স্ট্যাটাস বাপ্স, মাই windows ক্র্যাশড অ্যা মিনিটস অ্যাগো। নট অনলি দ্যাট, আই হ্যাভ লস্ট অল মাই ডাটা। বিকজ মাই 1টেরা হার্ডডিস্ক হ্যাজ অলসো গন। লাস্ট মান্থে নতুন ল্যাপি কিনলাম বাপ্স। ওঁরা লাইসেন্সড windows এর হোম এডিশন দিয়েছিলো সাথে KasperSpace র লেটেস্ট অ্যান্টিভাইরাস। বাট লাস্ট নাইট মাই সিস্টেম গট ইনফেক্টেড বাই NSAKEY ওয়ার্ম। ইট টুক অল মাই পার্সোনাল ডাটা অ্যান্ড দেন সাম এরর অকার্ড। অ্যান্ড নাও দ্য সিস্টেম ইজ গন অ্যান্ড মেক মি অ্যা অ্যাস হোল।
বাবাঃ কেন রে মা এত কষ্ট পাবার কি আছে? তুই আমার মোবাইল দিযে নতুন স্ট্যাটাস দিয়ে দে ‘আই অ্যাম ইন ডেঞ্জার’। নিশ্চয়ই কেউ না কেউ সাহায্য করবে।
মেয়েঃ করবে না বাবা, করবে না। আসলে করার কেউ নেই। কারন বর্তমানে ফাকিং windows আর কেউ চালাচ্ছে না। যাঁরা নিজেরা কম বোঝে, সিকিউরিটি ফিটি নিয়ে অত ভাবে না তারাই ল্যাপির সাথে দেয়া আমার মতো সিস্টেমে নিজেকে অ্যাডাপ্ট করে নেয়। বাপ্স, আই অ্যাম গন বাপ্স, আই অ্যাম জাস্ট ফিনিশড।

উপরের যে কথোপকথনগুলো লিখলাম সেটা কোন বিশাল ঘটনাকে স্মরন করে নয় বরং হুট করেই। কেনো যেন মনের গহীন কোণ থেকে কুডাক ডাকা শুরু হলো। আর তাই কম্পুর সামনে কিছু লিখবো নিয়্যত করে বসা মাত্র আঙ্গুলের ডগাগুলো একটার পর একটা চাবি চাপতে চাপতে এই লেখা টা তৈরী করে ফেললো। ঢাকা সহ সারা দেশে যেভাবে মোবাইল ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের প্রচলন হচ্ছে আর বিবিসি জানালার কল্যান ঘরে ঘরে যাচ্ছে, তাতে করে আশা করি আর মাত্র বছর দশেকের মাঝেই আমাদের দেশের ঘরে ঘরে এমন আল্ট্রা মর্ডান সন্তান গড়ে উঠবে। আর বাবা-মা রাও তাদের সাথে মানিয়ে নিতে ‘বাংরেজী’র অর্থ বুঝতে শুদ্ধ ‘ইংরেজি’ শিখবেন বিবিসি জানালায়। এমনিতেই ঢাকা সহ দেশের বড় শহরগুলোয় মাতৃভাষার বদলে ইংরেজী মাধ্যমে শিক্ষা আর প্রযুক্তির যথেচ্ছ ব্যবহারে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম দিকভ্রান্ত। দেশের প্রযুক্তি পন্যগুলোকে কাজে না লাগিয়ে তাঁরা প্রতিনিয়ত, সময়ের আর শক্তির যে অপব্যবহার আর অপচয় করছে তাতে আমি নিজে বেশ হতাশ। প্রশ্ন জাগতে পারে তাহলে কি করা যায়? সেক্ষেত্রে রথি-মহারথিরা হয়তো বলবেন সরকারকে নীতিমালা, আইন ইত্যাদি প্রনয়ন আর প্রয়োগ করতে কিন্তু কি করা যায় তাৎক্ষনিকভাবে তা হয়তো বলতে চাইবেন না। আমি আমার এই ছোট্ট মাথার আরো ক্ষুদ্র মগজ দিয়ে সেই তাৎক্ষনিক কিছু করার চেষ্টা লিপ্ত হতে চাই। আর তাই আজকের এই লেখা। আমার এ লেখার উদ্দেশ্যই হলো প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে সামনে এগিয়ে চলা। আর যাঁরা এই চলার পথে কোন বাধা পেয়ে আটকে যাবেন তাঁদের কে বাধা টপকাতে সাহায্য করা।

———- চলবে

Posted in ভালো লাগা

লিনাক্সপ্রেমীদের মিলনমেলা


‘বন্টু-মিন্টুর আড্ডা’ শিরোনামে লিনাক্সভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম উবুন্টু ও লিনাক্স মিন্ট ব্যবহারকারীদের একটি আড্ডা ২৩ জুলাই বিকেল ৩.৩০ মিনিট থেকে রাত ৮.০৫ মিনিট পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর সি মজুমদার মিলনায়তনে। এতে উবুন্টু ও লিনাক্স মিন্ট ব্যবহারকারীরা ও ব্যবহার করতে ইচ্ছুক প্রায় দুই শতাধিক লিনাক্সপ্রেমী অংশ নেন। আড্ডায় লিনাক্স কী, লিনাক্সভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারের সুবিধা কী, লিনাক্সকে কীভাবে সবার মাঝে ছড়িয়ে দেয়া যায় ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনার পাশাপাশি উবুন্টু ও লিনাক্স মিন্ট ব্যবহারকারীরা নিজেদের অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন। আড্ডার শুরুতেই জে টি এস ম্যুর – এর ‘রেভুল্যুশন ওএস’ তথ্যচিত্রটি প্রদর্শন করা হয়, যাতে ওপেনসোর্সের দর্শন খুব সহজভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। আড্ডায় উপস্থিত ছিলেন জনাব মুনির হাসান, রিফাত-উন-নবী, লেখক রণদীপম বসু, মাহে আলম খান, মিয়া মোহাম্মদ হুসাইনুজ্জামান শামীম, হাসিন হায়দার, মানচুমাহারা প্রমুখ। বিশিষ্টজনেরা আড্ডায় অংশনিয়ে নিজেদের লিনাক্স ব্যবহারের অভিজ্ঞতার বর্ননা দেন। এখন উবুন্টু ব্যবহারকারীরা তাদের অভিজ্ঞতা ব্যক্ত করছেন। মুনির হাসান তাঁর বক্তব্যে জানালেন মুক্ত সোর্সের সম্ভাবনার কথা এবং তাতে আমাদের প্রতিভার কিভাবে বিকাশ হতে পারে। তিনি ওপেন সোর্স নিয়ে কার্নিভালের মতো অনুষ্ঠান করার ইচ্ছাও প্রকাশ করেন। এছাড়াও আড্ডায় নতুন লিনাক্স ব্যবহারকারীরদের নানা প্রশ্নের উত্তর দেন অভিজ্ঞ লিনাক্স ব্যবহারকারীরা। আড্ডার পাশাপাশি লিনাক্স ও মিন্টের অতিরিক্ত সফটওয়্যার ও আপডেটসহ উবুন্টু বাংলাদেশ সংকলিত ডিভিডি এবং উবুন্টু ও লিনাক্স মিন্টের লোগোসহ টি-শার্ট সরবরাহের ব্যবস্থা রাখা হয়েছিলো, আগ্রহীরা এগুলো শুভেচ্ছা মূল্যের বিনিময়ে সংগ্রহ করেছেন। আড্ডার আয়োজন করে উবুন্টু বাংলাদেশ, কারিগরি সহায়তায় ছিল অঙ্কুর-আইসিটি ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন এবং প্রচার সহায়তায় ছিল আমাদের প্রযুক্তি, প্রজন্ম ফোরাম, সচলায়তন এবং লিনাক্স মিন্ট বাংলাদেশ। অঙ্কুর-আইসিটি ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন আড্ডার চা-বিরতিতে অংশগ্রহনকারীদের মাঝে বিনামূল্যে তাঁদের লোকালাইজেশনকৃত ভিএলসি প্লেয়ার, মজিলা ফায়ারফক্স এবং ওপেনঅফিসের সিডি ও মজিলা ফায়ারফক্সের লোগো সম্বলিত ব্যাজ বিনামূলে বিতরন করে। জনপ্রিয় টেলিভিশন চ্যানেল ‘চ্যানেল আই’ অনুষ্ঠানটি নিয়ে সংবাদ পরিবেশন করে।

আড্ডার বিক্ষিপ্ত ধারা বিবরনীঃ
বন্টু-মিন্টুর আড্ডায় সবাইকে স্বাগতম! আড্ডার নির্ধারিত সময় ৩.৩০ মিনিট হলেও দুপুর আড়াইটার পর থেকেই অনেকে আসতে শুরু করেছেন। আয়োজকরা অবশ্য এর আগেই চলে আসেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর সি মজুমদার মিলনায়তনে। আড্ডার দৃশ্যগুলো সরাসরি ইন্টারনেটে সম্প্রচার করা হচ্ছিল এখানে।
বিকেল ৩.৩০ মিনিট
মোটামুটি ৬০-৬৫ জন ইতোমধ্যে উপস্থিত হয়েছেন। জাতীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে শুরু হয়েছে আড্ডা। উন্মাতাল তারুণ্য (শাবাব মুস্তাফা) আর অয়ন খানের মনমাতানো উপস্থাপনায় দর্শকদের কয়েকজন মুক্ত সফটওয়্যার কী সে সম্পর্কে তাদের মত ব্যক্ত করলেন। এখন দেখানো হচ্ছে জে এস টি মুরের ওপেন ও ফ্রি সোর্স নিয়ে তৈরি করা তথ্যচিত্র “রেভুল্যুশন ওএস”।
বিকেল ৪:৫০ মিনিট
রেভুল্যুশন ওএস মুভিটি প্রদর্শন চলছে। সবাই বেশ আগ্রহ নিয়ে মুভি উপভোগ করছেন যদিও এটি আসলে ডকুমেন্টারি। অনেক কাঠখোট্টা। এরই মধ্যে আপডেট আসলো অভ্যর্থনা থেকে জানা গেলো ৩৫০ জনের বেশি রেজিস্ট্রেশন করেছেন দর্শক! আমাদের ধারণা অতিক্রম করে যাচ্ছে দর্শক সমাগম। অনেকই হলের ভেতর দাঁড়িয়ে আছেন।
বিকেল ৫:৩৫ মিনিট
ডকুমেন্টারি মুভিটি প্রায় শেষ। এবার শুরু হচ্ছে সবার সাথে মিথস্ক্রিয়া। সবাই আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছেন বোরিং ডকু-মুভিটি শেষ হবার জন্য।
বিকেল ৬:০০ মিনিট
এখন উবুন্টু ব্যবহারকারীরা তাদের অভিজ্ঞতা ব্যক্ত করছেন। একজন ব্যবহারকারী জানালেন মিন্ট ব্যবহার করতে গিয়ে একপর্যায়ে বিরক্ত হয়ে তিনি প্রিন্টার ভেঙ্গে ফেলতে চেয়েছিলেন। কিন্তু পরে দেখলেন এর সমাধান খুব সহজ। এখন বক্তব্য রাখছেন প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মিয়া মো. হোসাইনুজ্জামান, মানে আমাদের শামীম ভাই। মুনির হাসান তাঁর বক্তব্যে জানালেন মুক্ত সোর্সের সম্ভাবনার কথা এবং তাতে আমাদের প্রতিভার কিভাবে বিকাশ হতে পারে। তিনি ওপেন সোর্স নিয়ে ‘কার্নিভাল’ এর মতো অনুষ্ঠান করার ইচ্ছাও প্রকাশ করেন। চ্যানেল আই এর প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানের সংবাদ সংগ্রহে এসেছেন তারাও অনুষ্ঠানের বিষয়বস্তু মিডিয়াতে প্রচার করবেন।
বিকেল ৬:৩০ মিনিট
চা-বিরতি চলছে। যারা রেজিস্ট্রেশন করেছেন তারা তাদের টোকেন দেখিয়ে চা খাচ্ছেন। ভার্চুয়ালি পরিচিত কিন্তু কখনও দেখা হয় নাই, এমন অনেকের সাথে কথা বলে ভালোই লাগছে। উবুন্তু/মিন্ট কাস্টোমাইজড ডিভিডি সংগ্রহের হিড়িক চলেছে। ডিভিডি বাক্সপেটরা, সেই সাথে টাকার হিসেব এবং দর্শক-ক্রেতাদের সাথে মোলায়েম ও সহযোগীসুলভ ব্যবহার সব একসাথে করতে গিয়ে যন্ত্র প্রকৌশলি রায়হান চৌধুরী নিপুনের অবস্থা দেখার মতো। তবু তার মুখে হাসি লেগেই আছে। বোঝা যাচ্ছে তিনি প্রথম বারের সামলাচ্ছেন তো হ্যাপা তাই একটু আধটু …। পাশেই রয়েছে পছন্দের টি-শার্ট। ওখানে শাহরিয়ার আর ওঁর সহকারীদের ও দর্শক-ক্রেতাদের সামলাতে সামলাতে কাহিল দশা। ছাত্র, শিক্ষক, ব্লগার, ফোরামার এবং নানা পেশাজীবীর এক অভুতপূর্ব সমাবেশ ঘটেছে। বিভিন্ন আইটি প্রফেশনালরাও এসেছেন। তাদের সাথে তাদের ভক্তরাও দেখা সক্ষাৎ করে নিচ্ছেন। এক কথায় চমৎকার একটি মিলন মেলায় পরিণত হয়েছে আড্ডাটি।
সন্ধ্যা ৭:০৫ মিনিট
অঙ্কুর আইসিটি ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে প্রায় ১০০টি সিডি দর্শকদের দেয়া হয়েছে। এতে রয়েছে বাংলা সংস্করণের ওপেন অফিস, ফায়ার ফক্স, ভিএলসি ইত্যাদি সফটওয়্যার।
সন্ধ্যা ৭:২০ মিনিট
এখন চলছে প্রশ্লোত্তর। দর্শকরা প্রশ্ন করছেন, উত্তরও আসছে দর্শকদের মধ্য থেকেই। অংশগ্রহণকারীদের অভূতপূর্ব সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। সবাই কিছু না কিছু বলতে চান। কেউ তার অভিজ্ঞতার কথা জানাচ্ছেন, কেউ সমস্যার কথা জানাচ্ছেন আর কেউ সমাধান দিচ্ছেন। সব মিলিয়ে বেশ প্রাণবন্ত আড্ডা হচ্ছে। গৌতম রয় আর লেনিন ঠায় বসে থেকে লাইভ ব্লগিং আর স্ট্রিমিং করছেন।
সন্ধ্যা ৭:৫০ মিনিট
মিলনমেলায় সমাপ্তিটানার সময় অনেক আগেই উত্তীর্ন হয়েছে। আসর ভাঙ্গার সুর শোনা যাচ্ছে। আড্ডা প্রায় শেষের পথে। সবাইকে ফিডব্যাক ফরম সরবরাহ করা হয়েছে।
সন্ধ্যা ৭:৫৫ মিনিট
আড্ডার সমাপনী বক্তব্যে উবুন্টু বাংলাদেশের এই আয়োজনের সমন্বয়ক সাজেদুর রহিম জোয়ারদার যিনি রিং নামেই বেশী পরিচিত, বক্তব্য রাখলেন। অভ্যর্থনায় অনুপম, শাহরিয়ার, গাজী ডিভিডির স্টলে নিপুন, টিশার্টে শাহরিয়ার সহ অনেকেই, চা-চক্রে রিংকু আর গাজী সহ পুরো অনষ্ঠানের ব্যবস্থাপনায় যে স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী আমাদের সহযোগীতা করেছেন তাঁদের সবাইকে আমার লাল সালাম। এঁদের সক্রিয় সহযোগীতা ছাড়া কোনভাবেই এতবড় আয়োজন স্বার্থক করে তোলা সম্ভব ছিলো না। পুরো আড্ডায় আমাদের মাঝে ছিলেন ‘উবুন্টু বাংলাদেশ’ এর এডমিন রাসেল জন ভাই। উনি তাঁর সুচিন্তিত পরামর্শ আর বিভিন্ন কাজে সহযোগিতার মাধ্যমে এই আড্ডাকে সফল করে তুলতে বিশেষ অবদান রেখেছেন। রাসেল ভাই কে আন্তরিক ধন্যবাদ।
রাত ৮:০৫ মিনিট
শাবাব মোস্তফা শুরুটা করেছিলন, ইতিটাও তিনিই টানলেন। বিদায় বন্ধুরা এবারের ন্যায়, দেখা হবে আগামী ‘ম্যাভেরিক মিরক্যাট” (উবুন্টু ১০.১০) এর রিলিজ পার্টিতে। ধন্যবাদ সবাইকে।
বন্টু-মিন্টু’দের এ আড্ডা দেশের বাইরে থেকে আবির সাদিক, অভ্রনীল দা সহ অনেকেই লাইভ স্ট্রিমিংয়ের মাধ্যমে উপভোগ করেছেন। এমনকি দেশের ভেতরে থেকেও যারা উপস্থিত হতে পারেননি যেমন অনুপ দেবনাথ, সারিম খান উপভোগ করছেন এ অনুষ্ঠান। অভ্রনীলদার কাছে বিশেষভাবে কৃতজ্ঞ থাকবো এজন্য যে, আমাদের আড্ডার জন্য পোষ্টার, ব্যানার আর ফেস্টুনগুলো তাঁরই ডিজাইনকৃত। এছাড়াও বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে তিনি আমাদের চিরকৃতজ্ঞতার বাঁধনে আবদ্ধ করেছেন।

আড্ডার ছবি গুলো পাবেন মোটামুটি ধারাবাহিকভাবে এখানে

কৃতজ্ঞতায়ঃ এই লেখাটির অনেকটাই গৌতমদার লাইভ ব্লগিং লগ থেকে কাটছাট করে লিখেছি। আমার এই ল্যাপিতেই তো উনি আর লেনিন ভাই স্ট্রিমিং আর ব্লগিং করেছেন তাই লগটা এখানেই পেয়ে একটু কাটছাঁট করে আর কিছু সংযোজন করে পোষ্ট দিয়ে দিলাম।